এশিয়ায় সবচেয়ে মূল্যবান কোম্পানির তালিকায় প্রযুক্তি জায়ান্টদের আধিপত্য

বাণিজ্য উত্তেজনা ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতিজনিত অস্থিরতার মধ্য দিয়ে বৈশ্বিক অর্থনীতি, যার প্রভাব পড়েছে প্রযুক্তি খাতেও।

বাণিজ্য উত্তেজনা ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতিজনিত অস্থিরতার মধ্য দিয়ে বৈশ্বিক অর্থনীতি, যার প্রভাব পড়েছে প্রযুক্তি খাতেও। এরই মাঝে এশিয়ার সবচেয়ে মূল্যবান কোম্পানির তালিকার শীর্ষ চারটিই দখলে রেখেছে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো। খবর আনাদোলু।

১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন বা ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি ডলার বাজারমূল্য নিয়ে এশিয়ায় শীর্ষ কোম্পানির অবস্থানে রয়েছে তাইওয়ানের সেমিকন্ডাক্টর নির্মাতা তাইওয়ান সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি (টিএসএমসি)। গত জানুয়ারি থেকে এটি বিশ্বের দশম সর্বাধিক মূল্যবান কোম্পানি হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে।

এরপর রয়েছে চীনা প্রযুক্তি কনগ্লোমারেট টেনসেন্ট, যার বাজারমূল্য ৭৭১ দশমিক ৭ বিলিয়ন বা ৭৭ হাজার ১৭০ কোটি ডলার। এটি চীনের সবচেয়ে মূল্যবান কোম্পানি এবং বিশ্বব্যাপী অবস্থান ১৫তম।

এশিয়ার কোম্পানিগুলোর মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ই-কমার্স জায়ান্ট আলিবাবা। কোম্পানিটির বাজারমূল্য ৪২ হাজার ৮৯০ কোটি ডলার। এরপর দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাংয়ের বাজারমূল্য ৩৮ হাজার ৮৮৭ কোটি ডলার।

শীর্ষ ১০ কোম্পানির বাকি তালিকায় আধিপত্য বিস্তার করেছে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। পঞ্চম অবস্থানে থাকা ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড কমার্শিয়াল ব্যাংক অব চায়নার (আইসিবিসি) বাজারমূল্য ৩২ হাজার ৯৬০ কোটি ডলার। ৩১ হাজার ৯৬০ কোটি ডলার বাজারমূল্য নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে এগ্রিকালচারাল ব্যাংক অব চায়না। এরপর থাকা চীনা ব্যাটারি নির্মাতা সিএটিএলের বাজারমূল্য ২৫ হাজার ৯৮০ কোটি ডলার, এর ঠিক নিচেই থাকা জাপানি গাড়িনির্মাতা টয়োটার বাজারমূল্য ২৫ হাজার ৮২০ কোটি ডলার।

নবম ও দশম স্থানে রয়েছে চীনের পানীয় প্রস্তুতকারক কুইচৌ মাওটাই ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান চায়না কনস্ট্রাকশন ব্যাংক। কোম্পানি দুটির বাজারমূল্য যথাক্রমে ২৫ হাজার ৪০০ কোটি ও ২৫ হাজার ২৮০ কোটি ডলার।

চলতি বছরের শুরু থেকে এশিয়ার শীর্ষ কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো পারফর্ম করেছে আলিবাবা, শেয়ারদর বেড়েছে ১১৪ দশমিক ৮ শতাংশ। একই সময়ে ৫৯ শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে টেনসেন্টের।

পরিসংখ্যান অনুসারে, চলতি পঞ্জিকা বর্ষে এশিয়ার প্রযুক্তি খাত আরো শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে দেখা যাচ্ছে, মহাদেশটিতে রাষ্ট্র সমর্থিত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রভাব অব্যাহত রয়েছে।

আরও